School Admission, HSC SSC and JSC Result, College Admission, University Admission, All In One Information, Breaking News, Latest News Update, Lifestyle, Life Tips and Tricks, Technology Article, Bengali Article,Technology And More
SSC Examination 2015 Biology Suggestions
SSC Examination 2015 Biology Suggestions :
SSC Exam 2015
BIOLOGY SUGGESTION
SSC Exam 2015
BIOLOGY SUGGESTION
1 March and 3 March SSC Examination Has Been Cancelled
1 March and 3 March SSC Examination Has Been Cancelled :
1 March and 3 March
SSC Examination
Has Been Cancelled
1 March and 3 March
SSC Examination
Has Been Cancelled
New Schedule of SSC Examination In Bangladesh
New Schedule of SSC Examination In Bangladesh :
8 February Sunday SSC Exam Is Going To Be Held On Next Friday 13 February 2015
10 February Sunday SSC Exam Is Going To Be Held On Next Saturday 14 February 2015
8 February Sunday SSC Exam Is Going To Be Held On Next Friday 13 February 2015
10 February Sunday SSC Exam Is Going To Be Held On Next Saturday 14 February 2015
HSC Routine 2015 Download
HSC Routine 2015 Download :
HSC Routine 2015 Download
Click Here To Download Or See
HSC Routine 2015 Download
Click Here To Download Or See
অনলাইন আয়ের এ পথ, সে পথ আপনি যাবনে কোন পথে
অনলাইন আয়ের এ পথ, সে পথ আপনি যাবনে কোন পথে – কিছু টিপস সহ রিভিউ
আসসালামু আলাইকুম । সবাই কেমন আছেন । আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো। ভালো থাকাটাই সবসময়রে প্রত্যাশা । ইতিপূর্বে অনলাইন আয়ের বিভিন্ন নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। কিন্তু তাতে কতজন উপকৃত হয়ছেন জানিনা । আমার টিউনের মাধ্যমে কেউ উপকৃত হয়েছেন কিনা, না হতে পারলে কোথায় সমস্যা, আর সমাধান কিভাবে, সেসব নিয়ে আলোচনা আজকের এ টিউনে । কে কতটুকু আপডেট হয়েছেন তা আজ না বলে যাবেননা । আর আপনি কোন পথে কিভাবে সফল হয়েছেন তার কিঞ্চিত অভিজ্ঞতার কথাও শেয়ার করতে পারেন ।
অনলাইন আয়ের বহু পথ রয়েছে । কোন পথ আপনার জন্য ভালো তা যাচাই বাছাই করে কাঙ্খিত পথ বেছে নেওয়ার দায়িত্ব একান্তই আপনার । তবে আপনাকে সহযোগীতার দ্বার সবসময় খোলা । পর্যাপ্ত নির্দেশনা আমার অনলাইন আরনিং সাইটও আপনাকে কিঞ্চিত সহযোগীতা করতে পারে । আপনি ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কতটুকু সফল, কতটুকু সফল আপনি ওয়েব সাইটে এসইও করে, আপনি এখন কতটুকু পারেন এফিলিয়েট মার্কেটিং, কতটুকু পারেন ইমইেল মার্কেটিং, গুগল এডসেন্স-এ আপনার সফলতা এখন কোন র্পযায়ে তা মন্তব্যের মাধ্যমে জানাতে পারেন বিস্তারিত ।
যারা মার্কেটপ্লেসে বিড করে করে কাজ পাচ্ছেনা না, তাদের জন্য নির্দেশনা সম্বলিত কিছু টিপস আমার সাইটে গেলে জানতে পারবেন । আর এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত টিউন করার চেষ্টা করবো । আশা করি দ্রুত ফল পাবেন । অনেকে বিরক্ত হয়ে সব ছেড়ে দিয়ে ফেসবুকে বসে থাকেন । কোন কিছু শিখা বা করার ব্যপারে একেবারেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন । তাদেরকে বলবো কোন ক্ষেত্রে আপনি সফল হতে না পারলে তবুও ধৈর্য হারা হবেননা ।
সব কাজের পাশাপাশি আপাতত ব্লগস্পট দিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরী করুন । গুগল আপনাকে এতবড় একটু সুযোগ দেয়া সত্তেও আপনি সেটি কাজে লাগাতে পারছেননা। আমি এটাকে খুব র্কাযকরী একটা পথ বলে মনে করি । অনেকেই ব্লগস্পট সাইট দিয়ে আয় করছে, তাদের আয়ের পরিমাণ এতটাই বেশী যে তা অবিশ্বাস্য । অথচ শুধু ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে ভালো একটি সাইট তৈরী করেও অনেককে শেষ পর্যন্ত আশা বাদ দিতে দেখেছি। শুধু তাই নয় গুগলে বিভিন্ন কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিলে ব্লগস্পট সাইটই অনেক ক্ষেত্রে একেবারেই প্রথমে দেখায়। আমরা হয়তো ইতিমধ্যে বিষয়টি লক্ষ্য করেছি । তাই গ্রহণযোগ্য কনটেন্ট না থাকলে ডোমেইন হোস্টিং নিয়েও ওয়েবসাইট চালিয়ে আপনি বিফলে যেতে পারেন । আবার গ্রহণযোগ্য কনটেন্ট থাকলে ব্লগস্পট সাইট কিংবা আরো অন্যান্য সাবডোমেইন ভিত্তিক সািইট দিয়েও আপনি সাফল্যের র্শীষে উঠে যেতে পারেন । আমার ভিডিও টিউটোরিয়াল এর লিঙক এর মাধ্যমে আরো ভালোভাবে বুঝে নিতে পারেন অথবা সরাসরি ইউটিউব থেকেও দেখে নিতে পারেন । যথেষ্ট সময় দিয়ে এ পথে কাজ করে কাঙ্খিত সাফল্যের দাবীদার আপনিও হতে পারেন । শুভ কামনা রইলো ।
সব কাজের পাশাপাশি আপাতত ব্লগস্পট দিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরী করুন । গুগল আপনাকে এতবড় একটু সুযোগ দেয়া সত্তেও আপনি সেটি কাজে লাগাতে পারছেননা। আমি এটাকে খুব র্কাযকরী একটা পথ বলে মনে করি । অনেকেই ব্লগস্পট সাইট দিয়ে আয় করছে, তাদের আয়ের পরিমাণ এতটাই বেশী যে তা অবিশ্বাস্য । অথচ শুধু ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে ভালো একটি সাইট তৈরী করেও অনেককে শেষ পর্যন্ত আশা বাদ দিতে দেখেছি। শুধু তাই নয় গুগলে বিভিন্ন কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিলে ব্লগস্পট সাইটই অনেক ক্ষেত্রে একেবারেই প্রথমে দেখায়। আমরা হয়তো ইতিমধ্যে বিষয়টি লক্ষ্য করেছি । তাই গ্রহণযোগ্য কনটেন্ট না থাকলে ডোমেইন হোস্টিং নিয়েও ওয়েবসাইট চালিয়ে আপনি বিফলে যেতে পারেন । আবার গ্রহণযোগ্য কনটেন্ট থাকলে ব্লগস্পট সাইট কিংবা আরো অন্যান্য সাবডোমেইন ভিত্তিক সািইট দিয়েও আপনি সাফল্যের র্শীষে উঠে যেতে পারেন । আমার ভিডিও টিউটোরিয়াল এর লিঙক এর মাধ্যমে আরো ভালোভাবে বুঝে নিতে পারেন অথবা সরাসরি ইউটিউব থেকেও দেখে নিতে পারেন । যথেষ্ট সময় দিয়ে এ পথে কাজ করে কাঙ্খিত সাফল্যের দাবীদার আপনিও হতে পারেন । শুভ কামনা রইলো ।
ডোমেইন নিয়ে হোক অথবা ফ্রী হোক আপনার সাইটে বিভিন্নভাবে ভিজিটর আনার সবগুলো প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করুন । ভিজিটর আনার কয়েকটি উপায় নিয়ে চলুন এবার একটু আলোকপাত করি ।
১। আপনার নিজের একটি ব্লগ সাইট থাকলে সাইটটিতে নিয়মিত পোস্ট করুন ।
২। আপনার সাইটে পোস্ট করার পাশাপাশি হাবপেজে মাঝে মাঝে আর্টিকেল পোস্ট করুন। এ সাইটে সারা বিশ্ব থেকে অনেক অনেক ভিজিটির আসে । তাই ভালো একটি আর্টির্কেল পোস্ট করে সবশেষে আপনার সাইটের লিংক দিয়ে দিবেন, তাতে অনেক বেশী ভিজিটর পাবেন ।
৩। আপনার সাইটের লিংক ফেসবুক, টুইটার ও লিংকডইনে সাবমিট করুন ।
৪। বিভিন্ন ব্লগে আপনার সাইটের রিভিউ দিন ।
৫। কমেন্টের মাধ্যমে সাইটের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যান ।
৬। বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল ফোরামে পোস্ট করুন ।
৭। নতুন কোন পোস্ট করে তার লিংক দিয়ে সোশ্যাল বুকর্মাকিং করুন । ডিগ, ডিলিসিয়াশ, স্টাম্বলআপঅন, রেডিট খুবই বিখ্যাত সোশ্যাল বুকর্মার্কিং সাইট । তাই নিয়মিত সোশ্যাল বুক মার্কিং এর তালিকায় এগুলোকে বেশী প্রাধান্য দিন ।
উপরোক্ত নিয়মগুলো অব্যাহত রাখুন, তাতে আপনার সাইটে ভিজিটর নিয়মিত আসবে ।
অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে নিয়মিত বিড করে যান, সেখানেও কাজ পাওয়ার যথেষ্ঠ সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব মার্কেটপ্লেসে নিয়মিত একটিভ থাকবেন ।
১। ওডেস্ক
২। ফ্রীলেন্সার
৩। ইল্যান্স
৪। গুরু
৫। মাইক্রোওর্য়াকাস
যেসব আয়ের পদ্ধতগিুলো অনুসরণ করে আপনি সফল হতে পারেন-
১। ব্লগিং
২। এসইও
৩। আউটর্সোসিং
৪। গুগল এডসেন্স
৫। ফরেক্স ট্রেডিং
৬। এফিলিয়েট মার্কেটিং
৭। ইমেইল মার্কেটিং
৮। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
প্রাথমিক কয়েকটি ক্ষেত্রে কাজের জন্য যেসব কাজে কোন দক্ষতার প্রয়োজন নেই সেসব কাজে চেষ্টা করতে পারেন । কাজগুলো নিম্নরূপ-
১। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ডাটা এন্ট্রির কাজ
২। ফ্রি সাইট তৈরী করে নিজের সাইটে ব্লগিং করে
৩। এফিলিয়েট মার্কেটিং করে
৪। ইমেইল মার্কেটিং করে
৫। ফরেক্স ট্রেডিং করে
এসব কাজে প্রাথমিক কাজের পদ্ধতি জানতে পারলেই আপনি নিজে নিজে করতে পারবেন ।
শুধু আর্টিকেল লিখে আয় করার পথ থাকলেও সেক্ষেত্রে কিঞ্চিত দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে ।
শুধু আর্টিকেল লিখে আয় করতে চাইলে কিছু নির্ভরযোগ্য সাইট আছে । পূর্বে এ বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে ।
পাশাপাশি আরো যেসব কাজে দক্ষতা ছাড়া আপনি করতে পারবেননা, তা নিম্নরূপ-
১। অনলাইন মার্কেট প্লেসে ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
২। প্রোগ্রামিং এর কাজ
৩। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
৪। মোবাইল এ্যাপস ডেভেলপমেন্ট
৫। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
উপরোক্ত কাজসমূহ করতে যথেষ্ট দক্ষতার প্রয়োজন, আর তাই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে যথেষ্ট দক্ষতা অর্জন না করে ও এসব কাজে অভিজ্ঞ না হয়ে এপ্লাই করা উচিত নয় ।
আপাতত যেসব কাজে কিঞ্চিত দক্ষতা হলেই শুরু করা সম্ভব, আপনি সেটা থেকেই কাজ শুরু করতে পারেন। পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ভালো কোন প্রতিষ্ঠান থেকে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন । দক্ষতাবিহীন শুধু টাকা খরচ করে একটি ওয়েব সাইটের পেছনে সময় দিয়ে কাজ শুরু করা নিতান্তই কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার । প্রাথমিক অবস্থায় আপনি টাকা খরচ না করে শুধু ব্লগস্পটে আপাতত চেষ্টা শুরু করুন । অনলাইনে আয়ের পথ তৈরী করুন ঘরে বসইে । প্রয়োজনে বিভিন্ন ভিডিও টিউটারিয়াল এর সাহায্য নিন, আমি চেষ্টা করবো সহযোগীতা করতে ।
১। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ডাটা এন্ট্রির কাজ
২। ফ্রি সাইট তৈরী করে নিজের সাইটে ব্লগিং করে
৩। এফিলিয়েট মার্কেটিং করে
৪। ইমেইল মার্কেটিং করে
৫। ফরেক্স ট্রেডিং করে
এসব কাজে প্রাথমিক কাজের পদ্ধতি জানতে পারলেই আপনি নিজে নিজে করতে পারবেন ।
শুধু আর্টিকেল লিখে আয় করার পথ থাকলেও সেক্ষেত্রে কিঞ্চিত দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে ।
শুধু আর্টিকেল লিখে আয় করতে চাইলে কিছু নির্ভরযোগ্য সাইট আছে । পূর্বে এ বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে ।
পাশাপাশি আরো যেসব কাজে দক্ষতা ছাড়া আপনি করতে পারবেননা, তা নিম্নরূপ-
১। অনলাইন মার্কেট প্লেসে ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
২। প্রোগ্রামিং এর কাজ
৩। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
৪। মোবাইল এ্যাপস ডেভেলপমেন্ট
৫। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
উপরোক্ত কাজসমূহ করতে যথেষ্ট দক্ষতার প্রয়োজন, আর তাই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে যথেষ্ট দক্ষতা অর্জন না করে ও এসব কাজে অভিজ্ঞ না হয়ে এপ্লাই করা উচিত নয় ।
আপাতত যেসব কাজে কিঞ্চিত দক্ষতা হলেই শুরু করা সম্ভব, আপনি সেটা থেকেই কাজ শুরু করতে পারেন। পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ভালো কোন প্রতিষ্ঠান থেকে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন । দক্ষতাবিহীন শুধু টাকা খরচ করে একটি ওয়েব সাইটের পেছনে সময় দিয়ে কাজ শুরু করা নিতান্তই কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার । প্রাথমিক অবস্থায় আপনি টাকা খরচ না করে শুধু ব্লগস্পটে আপাতত চেষ্টা শুরু করুন । অনলাইনে আয়ের পথ তৈরী করুন ঘরে বসইে । প্রয়োজনে বিভিন্ন ভিডিও টিউটারিয়াল এর সাহায্য নিন, আমি চেষ্টা করবো সহযোগীতা করতে ।
অনলাইন আয় নিয়ে শুনতে শুনতে যেন মাথার চুল প্রায় সব উঠে গেছে । লোকজন এখনি ভয় দেখায়, ভাই আপনিতো বিয়ে করতে পারবেন না । আমিও অনেকটা হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম । এখন আমার কাছে মনে হয় যার চুল নেই তার যেন কিছুই নেই । যাই হোক এসব নিয়ে এখন আর ভাবিনা । এ বিষয়ে কারো কাছে নতুন কোন র্ফমুলা থাকলে তাও আমাকে জানাতে পারেন । যে কারণেই চুল পড়ে যাক আমি আশা করবো শুধু উলুবনে মুক্তা ছড়িয়ে এখন আর কেউ সময় নষ্ট করবেন না । পাশাপাশি রাতারাতি বড় লোক হওয়ার স্বপ্নও দেখবেননা । বিপথে গিয়ে মাথার চুল হারানোর মত দুকুল হারাবেন না । অন্তত একটি বিষয় নিয়ে যাতে আপনি ব্যস্ত থাকতে পারেন তবে আপনি আশানুরুপ ফল পাবেন এটা নিশ্চিত । মাথার চুল হারালে পুনরায় চুল গজানোর গ্যারান্টি হয়তো নেই তবে অনলাইন-এ কিছু দিয়ে আয় করতে পারবেন এটা বলতে পারি নির্দিধায় ।
আরো বিস্তারিত আমার অনলাইন আর্নিং সাইটে ।
আরো বিস্তারিত আমার অনলাইন আর্নিং সাইটে ।
সবার জন্য শুভ কামনা রইলো ।
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
ফেসবুক আমাদের যা দিয়েছে আর যা কেড়ে নিয়েছে
ফেসবুক আমাদের যা দিয়েছে আর যা কেড়ে নিয়েছে ।
আসসালামু আলাইকুম । সবাই কেমন আছেন । আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো। ভালো থাকাটাই সবসময়রে প্রত্যাশা । সময়ের স্বল্পতার কারণে খুব একটা লেখালেখি করার সুযোগ হয়না । তবুও চেষ্টা করি স্বল্প সময়ে অল্প অল্প কিছু লেখা শেয়ার করতে । আর তারই ধারাবাহিকতায় ফেসবুক নিয়ে আজকের এই লেখা ।
প্রযুক্তির কল্যাণে ফেসবুক আজ সর্ববৃহত সামাজিক নেটওয়ার্ক । এ নেটওয়ার্ক এখন এতটাই জনপ্রিয় যে, যাবতীয় সামাজিক যোগাযোগ ছাড়াও অনলাইন মার্কেটিং এবং বিভিন্ন যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে এটিকেই বেছে নেয়া হয় । সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম একটি মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক আজ প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু ফেসবুকের একদিকে যেমন ভালো দিক রয়েছে, তেমনি রয়েছে মন্দ দিকও । চলুন পর্যালোচনা করে দেখি বিষয়টি।
ফেসবুকের ভালো দিক-
১। দ্রুত সময়ে তাতক্ষণিক যোগাযোগ
২। সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম
৩। পুরনো বন্ধু / বান্ধবী খুজে পাওয়ার নির্ভরযোগ্য মাধ্যম ।
৪। নতুন বন্ধু / বান্ধবী তৈরী করার উতকৃষ্ঠ পন্থা ।
৫। অনলাইন মার্কেটিং এর বিশেষ মাধ্যম ।
৬। যেকোন বিষয় শেয়ার করার উল্লেখযোগ্য স্থান
৭। পরামর্শ দেয়া নেয়া এবং গ্রুপের মাধ্যমে আলাপ আলোচনার সুযোগ
৮। একডেমিক বিষয়গুলো বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপের মাধ্যমে জানা এবং জ্ঞানার্জন ।
৯। ছবি, ভিডিও এবং নিজের অবস্থান প্রকাশের তাতক্ষণিক মাধ্যম ।
ফেসবুকের মন্দ দিক-
১। ফেসবুকের মূল উদ্দেশ্য ব্যহত করে ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার সুযোগ
২। অপরিচিত লোকের সাথে বন্ধুত্ব করে বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা প্রচুর
৩। অপরিচিত বন্ধু বান্ধব তৈরী করে তাদের সাথে নিজের সব বিষয় শেয়ার করা
৪। ফেসবুকের নেশায় পড়ায় অমনোযোগী অপার সম্ভাবনা
৫। রাত দিন বিভিন্ন স্ট্যাটাস শেয়ারের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিত্বকে তুচ্ছ করার সুযোগ
৬। ফেসবুককে জীবনের অন্যতম অংশ ভেবে নিজের পরিবার পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা ।
৭। যখন তখন নিজের প্রয়োজনীয় কাজকে তুচ্ছ করে ফেসবুকেই নিমগ্ন থাকা
৮। পরিবার পরিজনের সাথে একসাথ হলেও ফেসবুকের নোটিফিকেশন, লাইক দেয়া, কমেন্টস করার মাধ্যমে কাছাকাছি থেকেও দূরবর্তী স্থানের মানুষ হতে হয় ।
৯। ফেসবুকের পরিচিত / অপরিচিত সদস্যরা মাঝে মাঝে বিভিন্ন অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে ফলে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় সৃষ্টি হয় ।
১০। ভুয়া আইডি তৈরী করে ফেসবুক ব্যবহারের মাধ্যমে অসামাজিক কার্যকলাপ বাড়ার আশঙ্কা ।
১১। সর্বোপরি সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য কাঙ্খিত পথে সে সময় দেয়া প্রয়োজন, শুধুমাত্র ফেসবুকেই সে সময় দিয়ে ব্যর্থতার পাল্লা ভারী হওয়ার যথেষ্ট শঙ্কা রয়েছে ।
বাবা মা ভাই বোন সবাই একসাথ হলেও বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় ভাই স্ট্যটাসে কমেন্ট করা নিয়ে ব্যস্ত, বোন ছুব আপলোড নিয়ে ব্যস্ত আবার বাবা কিংবা মা ফোনে কথা বলা নিয়ে ব্যস্ত । একসাথে দেখেও সবাই দূরে দূরে । এমন অবস্থা শুধু পরিবারেই নয়, বন্ধু বান্ধবদের সাথে আড্ডা দেওয়ার প্রাক্কালেও পরিলক্ষিত হয় । এমন অবস্থা তৈরীরর পেছনে ফেসবুকের যথেষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে ।
ফেসবুক একদিকে যেমন দিয়েছে বেগ, তেমনি কেড়ে নিয়েছে আবেগ । ফেসবুকের কল্যাণে আমরা আজ আমাদের পরিবার পরিজন থেকেও দূরে সরে গিয়েছি । পরিবারের লোকজন আমাদের কাছ থেকে কাঙ্খিত সময় পায় না । ফলে সামাজিক অবক্ষয়, পাবারিক ভাঙ্গন এসব প্রকট হয়ে পড়ে । পাশাপাশি ফেসবুকের নেশায় মত্ত হয়ে আজকের তরুণ সমাজ পড়াশোনা থেকেও দূরে সরে যায়, ফলে তাদের মেধাটাও ভিন্নখাতে প্রবাহিত হচ্ছে । এতে কাঙ্খিত মেধাবী ঝড়ে পড়ছে এবং ফেসবুকের নেশা ছাড়তে না পেরে আমাদের তরুণ সমাজ পর্যায়ক্রমে আরো অবক্ষয়ের দিকেও ধাবিত হতে পারে । তাই প্রযুক্তির কল্যাণে ফেসবুকের কাঙ্খিত ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন ।
ভালো কাজে ফেসবুক ব্যবহার যেন আমাদের সবসময়ের প্রত্যাশা হয় । ফেসবুককে নেশার বস্তু না বানিয়ে আমাদের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা যেন এটাকে তাদের কল্যাণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, সামাজিক যোগাযোগের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে তার মূল্যায়ন যেন করা হয়, আমরা যেন এ ফেসবুককে সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ না বানিয়ে সুষ্ঠু সুন্দর সমাজ নির্মাণের মূল চালিকা শক্তি হিসাবে ব্যবহার করতে পারি এমন প্রত্যাশাই থাকুক সব সময়ের জন্য ।
প্রযুক্তির কল্যাণে ফেসবুক আজ সর্ববৃহত সামাজিক নেটওয়ার্ক । এ নেটওয়ার্ক এখন এতটাই জনপ্রিয় যে, যাবতীয় সামাজিক যোগাযোগ ছাড়াও অনলাইন মার্কেটিং এবং বিভিন্ন যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে এটিকেই বেছে নেয়া হয় । সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম একটি মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক আজ প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু ফেসবুকের একদিকে যেমন ভালো দিক রয়েছে, তেমনি রয়েছে মন্দ দিকও । চলুন পর্যালোচনা করে দেখি বিষয়টি।
ফেসবুকের ভালো দিক-
১। দ্রুত সময়ে তাতক্ষণিক যোগাযোগ
২। সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম
৩। পুরনো বন্ধু / বান্ধবী খুজে পাওয়ার নির্ভরযোগ্য মাধ্যম ।
৪। নতুন বন্ধু / বান্ধবী তৈরী করার উতকৃষ্ঠ পন্থা ।
৫। অনলাইন মার্কেটিং এর বিশেষ মাধ্যম ।
৬। যেকোন বিষয় শেয়ার করার উল্লেখযোগ্য স্থান
৭। পরামর্শ দেয়া নেয়া এবং গ্রুপের মাধ্যমে আলাপ আলোচনার সুযোগ
৮। একডেমিক বিষয়গুলো বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপের মাধ্যমে জানা এবং জ্ঞানার্জন ।
৯। ছবি, ভিডিও এবং নিজের অবস্থান প্রকাশের তাতক্ষণিক মাধ্যম ।
ফেসবুকের মন্দ দিক-
১। ফেসবুকের মূল উদ্দেশ্য ব্যহত করে ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার সুযোগ
২। অপরিচিত লোকের সাথে বন্ধুত্ব করে বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা প্রচুর
৩। অপরিচিত বন্ধু বান্ধব তৈরী করে তাদের সাথে নিজের সব বিষয় শেয়ার করা
৪। ফেসবুকের নেশায় পড়ায় অমনোযোগী অপার সম্ভাবনা
৫। রাত দিন বিভিন্ন স্ট্যাটাস শেয়ারের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিত্বকে তুচ্ছ করার সুযোগ
৬। ফেসবুককে জীবনের অন্যতম অংশ ভেবে নিজের পরিবার পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা ।
৭। যখন তখন নিজের প্রয়োজনীয় কাজকে তুচ্ছ করে ফেসবুকেই নিমগ্ন থাকা
৮। পরিবার পরিজনের সাথে একসাথ হলেও ফেসবুকের নোটিফিকেশন, লাইক দেয়া, কমেন্টস করার মাধ্যমে কাছাকাছি থেকেও দূরবর্তী স্থানের মানুষ হতে হয় ।
৯। ফেসবুকের পরিচিত / অপরিচিত সদস্যরা মাঝে মাঝে বিভিন্ন অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে ফলে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় সৃষ্টি হয় ।
১০। ভুয়া আইডি তৈরী করে ফেসবুক ব্যবহারের মাধ্যমে অসামাজিক কার্যকলাপ বাড়ার আশঙ্কা ।
১১। সর্বোপরি সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য কাঙ্খিত পথে সে সময় দেয়া প্রয়োজন, শুধুমাত্র ফেসবুকেই সে সময় দিয়ে ব্যর্থতার পাল্লা ভারী হওয়ার যথেষ্ট শঙ্কা রয়েছে ।
বাবা মা ভাই বোন সবাই একসাথ হলেও বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় ভাই স্ট্যটাসে কমেন্ট করা নিয়ে ব্যস্ত, বোন ছুব আপলোড নিয়ে ব্যস্ত আবার বাবা কিংবা মা ফোনে কথা বলা নিয়ে ব্যস্ত । একসাথে দেখেও সবাই দূরে দূরে । এমন অবস্থা শুধু পরিবারেই নয়, বন্ধু বান্ধবদের সাথে আড্ডা দেওয়ার প্রাক্কালেও পরিলক্ষিত হয় । এমন অবস্থা তৈরীরর পেছনে ফেসবুকের যথেষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে ।
ফেসবুক একদিকে যেমন দিয়েছে বেগ, তেমনি কেড়ে নিয়েছে আবেগ । ফেসবুকের কল্যাণে আমরা আজ আমাদের পরিবার পরিজন থেকেও দূরে সরে গিয়েছি । পরিবারের লোকজন আমাদের কাছ থেকে কাঙ্খিত সময় পায় না । ফলে সামাজিক অবক্ষয়, পাবারিক ভাঙ্গন এসব প্রকট হয়ে পড়ে । পাশাপাশি ফেসবুকের নেশায় মত্ত হয়ে আজকের তরুণ সমাজ পড়াশোনা থেকেও দূরে সরে যায়, ফলে তাদের মেধাটাও ভিন্নখাতে প্রবাহিত হচ্ছে । এতে কাঙ্খিত মেধাবী ঝড়ে পড়ছে এবং ফেসবুকের নেশা ছাড়তে না পেরে আমাদের তরুণ সমাজ পর্যায়ক্রমে আরো অবক্ষয়ের দিকেও ধাবিত হতে পারে । তাই প্রযুক্তির কল্যাণে ফেসবুকের কাঙ্খিত ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন ।
ভালো কাজে ফেসবুক ব্যবহার যেন আমাদের সবসময়ের প্রত্যাশা হয় । ফেসবুককে নেশার বস্তু না বানিয়ে আমাদের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা যেন এটাকে তাদের কল্যাণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, সামাজিক যোগাযোগের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে তার মূল্যায়ন যেন করা হয়, আমরা যেন এ ফেসবুককে সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ না বানিয়ে সুষ্ঠু সুন্দর সমাজ নির্মাণের মূল চালিকা শক্তি হিসাবে ব্যবহার করতে পারি এমন প্রত্যাশাই থাকুক সব সময়ের জন্য ।
একটি গ্লাসে যেমন মদ খাওয়া যায়, তেমনি খাওয়া যায় বিশুদ্ধ পানি । পানি কিংবা মদের জন্য যেমন কোনভাবেই গ্লাসকে দায়ী করা যায়না, তেমনি মন্দ কাজে ব্যবহারের জন্য দায়ী করা যাবেনা ফেসবুককে। সুতরাং সচেতন হতে হবে আমাদের সবাইকে ।
আপনি কি গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজ করেছেন? হয়তো হ্যা, হয়তোবা না । কিন্তু আরেকটি ট্যাব-এ হয়তো আপনার ফেসবুক খোলা পড়ে আছে, ঠিক এখনই । যদি তাই হয়ে থাকে তবে মিলিয়ে নিন, সচেতন কি এখনি হবেন নাকি আরো পরে । যিদিও আমার নিজেরটাও এখন খোলা । তবে, সমস্যা কোথায় সেটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন । অনেক ধন্যবাদ ।
সবার জন্য শুভ কামনা রইলো ।
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোডের সবগুলো পদ্ধতি
এক নিমেষেই ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোডের সবগুলো পদ্ধতি জেনে নিন ।
আসসালামুআলাইকুম । সবাই কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছেন সবাই । ব্যস্ততার কারণে দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করা হচ্ছে না । বহুদিন পর আজ আবার হাজির হয়েছি, চেষ্টা করবো নতুন কোন টিপস দিতে । ইতিপূর্বে ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার অনেক পদ্ধতি সম্পর্কে আপনারা অনেকেই অবগত হয়েছেন । আজ সবগুলো পদ্ধতি নিয়ে আলোকপাত করবো । সব পদ্ধতি জানা থাকলে সময়ে সময়ে আপনার সুবিধা মত যেকোন পদ্ধতি প্রয়োগ করে কাঙ্খিত ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন । চলুন দেখে নিই কি কি পদ্ধতি আছে, জানা আছে কয়টি, আর অজানা আছে কয়টি ।
প্রথম পদ্ধতি :
আপনার কম্পিউটারে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন । অতপর যথন ভিডিও প্লে করবেন অটোমেটিক ডাউনলোড অপশনটি পাবেন । আপনাকে অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে যে, ফ্ল্যাশ প্লেয়ার যথাযথভাবে ইন্সটল করা আছে । যদি ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার সফটওয়্যারটি না থাকে তবে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন ।
আর যদি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারটি ইন্সটল করা না থাকে, তবে নিচের লিংক থেকে ফ্ল্যাশ প্লেয়ারটি ডাউনলোড করে নিন ।
দ্বিতীয় পদ্ধতি :
এ পদ্ধতিতে আপনি যখন ইউটিউব এর কোন ভিডিও প্লে করবেন, তখন ইউটিউব এর লিংক এর শুরুতে ss বসিয়ে দিয়ে এন্টার দিন । তাহলে ভিডিও ডাউনলোড এর আরেকটি সাইট ওপেন হবে । সেখান থেকে কাঙ্খিত ফরমেটে ক্লিক করলেই আপনার সেই ফাইলটি ডাউনলোড শুরু হবে । নিচের নির্দেশনা গুলো অনুসরন করে এ পদ্ধতিটি প্রয়োগ ধাপে ধাপে প্রয়োগ করুন ।
ইউটিউবে গিয়ে কাঙ্খিত ভিডিওটি ওপেন করুন ।
তারপর www. এর স্থলে ss টাইপ করে এন্টার দিন ।
কোন অপশন আসলে Proceed Anyway তে ক্লিক করুন ।
তারপর আপনার পছন্দমত ফরমেট-এ ক্লিক করলেই ডাউনলোড শুরু হবে ।
তৃতীয় পদ্ধতি :
এ পদ্ধতিতে নিচের লিংক থেকে ইউটিউব ডাউনলোডার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন । তারপর সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে ওপেন করুন । আপনার ভিডিও লিংকটি কপি করে পেস্ট করে তারপর ডাউনলোডে ক্লিক করুন । নিচের নির্দেশনা গুলো অনুসরন করে এ পদ্ধতিটি প্রয়োগ ধাপে ধাপে প্রয়োগ করুন ।
নিচের লিংক থেকে ইউটিউব ডাউনলোডারটি ডাউনলোড করে নিন ।
তারপর সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে ওপেন করুন ।
এখন ইউটিউবে গিয়ে কাঙ্খিত ভিডিওটি ওপেন করুন । তারপর শেয়ার বাটনে ক্লিক করলে একটি লিংক পাবেন ।
লিংকটি কপি করে ইউটিউব ডাউনলোডার সফটওয়ারে গিয়ে পেস্ট করুন ।
তারপর ডাউনলোডে ক্লিক করলেই কাঙ্খিত ভিডিওটি ডাউনলোড শুরু হবে ।
চতুর্থ পদ্ধতি :
আপনার ব্রাউজার এর এড্রসবারে কাঙিখত ভিডিওটির লিংক কপি করুন ।
তারপর নিচের লিংকে ক্লিক করে একটি সাইট ওপেন করুন ।
কপি করা ভিডিও লিংকটি এখানে পেস্ট করে Go-তে ক্লিক করুন ।
এবার কাঙ্খিত ফরমেটে ক্লিক করে ভিডিও কনভার্ট ও ডাউনলোড করতে পারবেন ।
পঞ্চম পদ্ধতি :
এ পদ্ধতিতে ওয়ান ক্লিক ডাউনলোডার ব্যবহার করে মজিলা ফায়ারফক্সের মাধ্যমেই আপনি ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন । এজন্য আপনার মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার-এ Alt+T প্রেস করুন অথবা টুলস-এ ক্লিক করুন । তারপর Add-ons-এ ক্লিক করে 1 Click youtube Video Download লিখে সার্চ দিন ।
Add-onsটি ইন্সটল করে মজিলা ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন । ব্যাস হয়ে গেলো এখন আপনার ব্রাউজারে প্লাগইনসটি শো করবে এবং এখানে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করে আপনি ইউটিউব এর যেকোন ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন ।
ষষ্ঠ পদ্ধতি :
নিচের লিংকটির মাধ্যমে ড্রপবক্স থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন ।
ডাউনলোড হয়ে গেলে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে ওপেন করুন ।
এখানে Add Download এ ক্লিক করলে আরেকটি ডায়ালগ বক্স আসবে ।
এখানে ইউটিউব এর ভিডিও লিংকটি কপি করে পেস্ট করে Download Now বাটনে ক্লিক করলেই আপনার কাঙ্খিত ভিডিওটি ডাউনলোড হতে থাকবে ।
এর বাইরে আরো অনেক পদ্ধতি থাকতে পারে । তবে আপাতত আমার আর জানা নাই ।
আজ তাহলে এ পর্যন্তই । আবার আরেকদিন হাজির হবো নতুন কোন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন ।
আর আমার অনলাইন আর্নিং সাইট থেকে শেষবারের মত ঘুরে আসবেন ।
সবার জন্য শুভ কামনা রইলো ।
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
Subscribe to:
Posts (Atom)







